শিক্ষামন্ত্রীর আশ্রয় প্রশ্রয় আস্কারায় পরিস্থিতি এ অবস্থায় এসেছে: ভিসি কলিমুল্লাহ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৪৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০২১ | আপডেট: ৪:৪৮:অপরাহ্ণ, মার্চ ৪, ২০২১

রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য একেএম নূর-উন-নবীকে বাঁচাতেই শিক্ষামন্ত্রী দীপুর মনির পরামর্শে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন- ইউজিসি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রিপোর্ট দিয়েছে বলে দাবি করেছেন, বর্তমান উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি এ সময় প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

তিনি বলেন, এ পুরো পরিস্থিতিটা শিক্ষামন্ত্রীর আশ্রয় প্রশ্রয় আস্কারায় এ অবস্থায় এসেছে। ইউজিসি তদন্ত কমিটি তারা মূলত কেএম নূর-উন-নবীর দায় তাদেরকে নিরাপত্তা দেয়ার চিন্তা থেকে এ কাজটা করেছে এবং আর উদোর পিণ্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা আমরা এখানে লক্ষ্য করেছি।

এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত কমিটি জানিয়েছিল যে বেরোবি ভিসি অধ্যাপক ড. কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দু’টি উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে তারা। এটিকে ‘মিথ্যা সংবাদ’ আখ্যা দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতেই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

ভিসি ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, ‘ইউজিসির রিপোর্টের দায় শিক্ষামন্ত্রীর। মন্ত্রীর আসকারা, পরামর্শেই ইউজিসি এমন প্রতিবেদন দিয়েছে।’ ‘আমাদের দেশে দুর্নীতি নিয়ে যে সমস্যা সেটা হচ্ছে ধামাচাপা দেয়ার একটা কালচার।

শিক্ষামন্ত্রীর অফিস থেকে কয়েক পৃষ্ঠার খণ্ডিত অংশ নিয়ে লিক করা হয়েছে। এটা রাজনীতির একটা অপকৌশল। শিক্ষাঙ্গন সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের হীন রাজনীতি করার জায়গা নয়,’ বলেন ভিসি ড. কলিমুল্লাহ।

ইউজিসির রিপোর্টে বলা হয়েছে, বেরোবির শেখ হাসিনা হল এবং ড. ওয়াজেদ গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইউজিসিকে নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশনা পেয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তে নামে ইউজিসি।

তদন্ত শেষে প্রধানমন্ত্রী অনুমোদিত নকশা পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানোর অজুহাতে অনিয়মের বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেয় ইউজিসির তদন্ত কমিটি। এতে সুপারিশ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও তার ভাগ্নে ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুর কাদের এবং অন্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার।