শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা পেলেন শিক্ষক ও সাংবাদিক জহিরুল হক

প্রকাশিত: ৭:৫৭ অপরাহ্ণ, মার্চ ১০, ২০২১ | আপডেট: ৯:১৯:অপরাহ্ণ, মার্চ ১০, ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মুজিব শতবর্ষ সম্মাননা ২০২১ পেয়েছেন দি বাংলাদেশ টুডে’র বরগুনা জেলা প্রতিনিধি ও সদর উপজেলার বদরখালী ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার বাংলা প্রভাষক মোহাম্মদ জহিরুল হক।

গত ৯ মার্চ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তন, ঢাকায় এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক সোসাইটির উদ্যোগে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের “ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের গুরুত্ব” শীর্ষক আলোচনা সভা শেষে দেশের ৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি কে নিজ কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হয়। শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান, বিশেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য মোহাম্মদ জহিরুল হকের হাতে মুজিব শতবর্ষ সম্মাননা ২০২১ তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট ডিভিশনের মাননীয় বিচারপতি এম. ফারুক।

জহিরুল হক বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম বরগুনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ মাদরাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন এর বরগুনা জেলা শাখার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষকদের সুখে দুঃখে সব সময় পাশে থাকেন এ সদালাপী মানুষটি। শিক্ষকতার পাশাপাশি জাতীয় দৈনিক দি বাংলাদেশ টুডে’র বরগুনা জেলা প্রতিনিধি হিসেবেও কাজ করছেন।

তিনি মাদ্রাসায় প্রত্যাহিক সমাবেশ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, বিভিন্ন দিবস উদযাপন সহ মাদ্রাসায় শহীদ মিনার নির্মাণে কাজ করছেন। এছাড়াও তিনি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মেয়েদের পারিবারিক, প্রতিষ্ঠানিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছেন।

সম্মাননা প্রাপ্তির অনুভূতি জানতে চাইলে মোঃ জহিরুল হক বলেন, কাজের স্বীকৃতি অবশ্যই আনন্দের। তবে কোনো প্রাপ্তির জন্য নয়, আমি কাজ করছি এই জন্য যে, কেউ যেন মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি আঙ্গুল তুলতে না পারে। মাদ্রাসা সাধারণ শিক্ষার থেকে আলাদা কোন জগত নয়,এ সত্যটি সবার সামনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রতি নেতিবাচক মন্তব্য আসবেনা। আমি সে লক্ষ্যে কাজ করছি।

বদরখালী ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আশ্রাফ আলী বলেন, জহিরুল হক স্যার মাদ্রাসায় জাতীয় দিবসগুলো উদযাপন ও শহীদ মিনার তৈরিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। তাছাড়া শিক্ষার্থীদের যে কোন সমস্যায় তিনি সবসময়ই পাশে থাকেন। তার কাছে সমস্যা বলতে দেরি হয় কিন্তু সমাধানে দেরি হয়না। তার মত শিক্ষক পেয়ে আমি গর্বিত।