‘শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশ্বে শীর্ষে থাকা দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় এখানে কোচিং চালু আছে’

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:২২ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯ | আপডেট: ১২:২২:পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৯
ফাইল ছবি

বাংলাদেশেও কোচিং বাণিজ্যের সমালোচনা দীর্ঘদিনের। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার উচ্চ আদালত, সব ধরনের কোচিং নিষিদ্ধ বলে রায় দেন। এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

কোচিং সেন্টার গুলোর সংগঠনও বলছে, পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়, তবে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোচিং সেন্টার নিয়ন্ত্রন করতে গিয়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে অভিভাবকদের মানসিকতা। সেইসাথে সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনকে অন্তর্ভুক্ত করারও তাগিদ দিচ্ছেন তারা।

কোচিং বন্ধের সিদ্ধান্ত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। এমন আশঙ্কা, কোচিং সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের। কোচিং নিষিদ্ধ করে উচ্চ আদালতের রায় নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও। আর বিশ্লষকরা মনে করছেন, নীতিমালা বাস্তবায়নে অভিভাবকদের কোচিংপ্রীতি সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থায় বিশ্বে শীর্ষে থাকা দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় এখানে কোচিং খুবই মামুলি বিষয়।

অথচ চার দশক আগে এ দেশেই আইন করে বন্ধ করা হয়েছিলো কোচিং। কিন্তু, তারপর শিক্ষা ব্যয় কয়েক গুণ বেড়ে যায়। কারণ প্রকাশ্যে কোচিং বন্ধ থাকায়, অনেক বেশি টাকা দিয়ে গোপনে কোচিং করতে হয় শিক্ষার্থীদের। এরকম বাস্তবতায় পুনরায় কোচিং বহাল করে দেশটির সরকার।

কোচিংকে ছায়াশিক্ষা হিসাবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি দিয়েছে খোদ ইউনেসকো। তবে কোচিংয়ের নামে বাণিজ্য বন্ধে আদালত যে রায় দিয়েছেন, সেটির বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, সেদিকে নজর থাকবে শিক্ষক-শিক্ষাথী ও অভিভাবকদের।