সংযুক্ত আরব আমিরাতে আইনি স্বীকৃতি পেল গির্জা-মন্দির

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:১০ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯ | আপডেট: ১২:১০:পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৯
ছবিঃ সংগৃহীত

রোববার আবুধাবিতে কয়েক দশকের পুরানো গীর্জাসহ অমুসলিম সম্প্রদায়ের বেশ কিছু উপাসনালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

আইনি স্বীকৃতি পাওয়া অমুসলিম সম্প্রদায়ের উপাসনালয়ের মধ্যে রয়েছে ১৭টি গির্জা এবং একটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবির আমিরাত প্রাসাদে ঐতিহাসিক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

বিশেষ এ অনুষ্ঠানে আবু ধাবির কমিউনিটি ডেভলাপমেন্টের চেয়ারম্যান ডঃ মুগীর আল খাইলি বলেন, “কয়েক দশক ধরে, আমরা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের স্বাগত জানিয়েছি, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সহাবস্থানের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। আবু ধাবি এখন সাম্প্রদায়িক সহনশীলতা ও সহ-অস্তিত্বের জন্য একটি শীর্ষস্থানীয় মডেল”।

তিনি আরো বলেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাত সাম্প্রদায়িক ঐক্যে বিশ্বাস করে। দেশের উন্নয়নে যারা অবদান রেখেছিল তাদের প্রত্যেককে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উৎসাহী।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দীর্ঘকাল ধরেই উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করাকে স্বাগত জানানো হয়েছে, যার মাধ্যমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের বৈচিত্র্য এবং মূল্যবোধের প্রতি দেশের সম্মানকে প্রতিফলিত করে। আমাদের এই নতুন উদ্যোগের ফলে এখন অমুসলিম উপাসনালয়গুলি এক ছাতার আওতায় কাজ করতে পারবে। ”

আইনি স্বীকৃতি পাওয়া গির্জাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, সেন্ট জোসেফ’স ক্যাথেড্রাল যা আমিরাতের প্রাচীনতম গির্জা। ১৯৬৫ সালে এটি স্থাপিত হয়েছিল। এছাড়া সেন্ট অ্যান্ড্রুজ চার্চ, সেন্ট জর্জ অর্থোডক্স চার্চ, কপটিক অর্থোডক্স চার্চ এবং ইভানজেলিকাল কমিউনিটি চার্চ উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য যে, এতদিন ধরে আরব আমিরাতে অমুসলিম সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলির কোনধরনের আইনি বৈধতা ছিলনা। এই উপাসনালয়গুলো বেশিরভাগই আমিরাতের শাসকদের উপহার দেওয়া জমির উপর নির্মিত করা হয়েছিল। এরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনানুষ্ঠানিক অনুমোদনে কাজ করে যাচ্ছিল।