সাগরতলে আবাসিক হোটেল চালু, কিন্তু খরচ?

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০১৮ | আপডেট: ৯:১৮:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৬, ২০১৮

‘মুরাকা’ সাগরতলে একটি আবাসিক হোটেলের নাম। যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিলটন ওয়ার্ল্ডওয়াইড পরিচালিত হোটেল ও রিসোর্ট প্রতিষ্ঠান কনরাড মালদ্বীপ রাঙ্গালি দ্বীপে বিলাসবহুল দোতলা আবাসিক হোটেলটি গড়ে তুলেছেন। সম্প্রতি হোটেলটি চালুও হয়েছে।

পানির নিচে আবাসিক হোটেলে থাকার ব্যবস্থা সারাবিশ্বে এটিই প্রথম। আন্ডার সি হোটেলের দিক দিয়ে এটি বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন একটি আবাসিক হোটেল। দোতলা হোটেলের ওপরের তলা পানির ওপরে হলেও নিচের তলার পুরোটাই পানির নিচে। সেখানে সাড়ে ১৬ ফুট আয়তনের রুমের সঙ্গে আছে শৌচাগার।

হোটেলে যাঁরা থাকবেন,তাঁরা অনুভব করবেন যেন মাছের সঙ্গেই ঘুরছেন, ফিরছেন ও ঘুমাচ্ছেন। কাচঘেরা ঘর থেকে ভারত মহাসাগরে মাছ ও জলজ প্রাণী দেখতে পারবেন ঘুমানোর সময়ও।

‘মুরাকা’ নামের হোটেলটি বানাতে খরচ পড়েছে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলারেরও বেশি। মালদ্বীপের ভাষায় মুরাকা শব্দের অর্থ প্রবাল। নিচতলায় বসে প্রবাল, মাছের খেলা আর সুপ্রসন্ন ভাগ্য হলে অক্টোপাসও দেখা যাবে। হোটেলের ওপরের তলা দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হলেও নিচের তলা শুধুই অতিথিদের জন্য। সাগরতলের আবাসিক এই হোটেলটিতে একসঙ্গে নয়জনের থাকার ব্যবস্থা আছে।

দ্বীপের হোটেলটি ভারত মহাসাগরের ৫০০ মিটার নিচে অবস্থিত। পানির সাড়ে ১৬ফুট নিচে বেডরুম। শুধু বেডরুমই নয়, পানির নিচের আরও কিছু কক্ষ তৈরি করা হচ্ছে দর্শনার্থীদের জন্য।

কনরাড মালদ্বীপের মুখপাত্র বলছেন, ‘আমরা আমাদের অতিথির কাছে সমুদ্রের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার জন্য মুরাকায় থাকতে উৎসাহিত করছি। কারণ, এটি মালদ্বীপের একটি অসাধারণ সমুদ্রপথের সঙ্গে আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেবে।’

শাওয়ারসহ হোটেলে রুমে যা যা থাকে, তা–ই আছে এই হোটেলের পানির নিচের কক্ষে। জিমনেশিয়াম, বার ও পুল থাকবে ওপরের তলায়। এই হোটেলে যাঁরা থাকবেন, তাঁরা ভারত মহাসাগরের অনিন্দ্য সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

এই হোটেলটির ভাড়ার কথা শুনলে পিলে চমকে উঠবেন। প্রতিরাতেই আপনার পকেট থেকে খরচ হবে ৫০ হাজার ডলার। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, ডলারের মূল্য ৮৩ টাকা ধরলে ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। এরই সঙ্গে অনেক সুযোগ-সুবিধা মিলবে।

তথ্যসূত্র: সিএনএন।