সাবেজ ডিআইজি বজলুরের জামিন নামঞ্জুর, সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:৫৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০ | আপডেট: ১২:৫৭:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় কারা অধিদফতরের ডিআইজি প্রিজন বজলুর রশিদদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির পিছিয়েছেন আদালত।

তবে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ নির্দেশ দেন।

এর আগে, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কারা অধিদপ্তরের সাময়িক বরখাস্ত ডিআইজি প্রিজন্স বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে আদালত।

ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ আসামির উপস্থিতিতে এ চার্জশিট গ্রহণ করা হয়। একই সঙ্গে ২২ সেপ্টেম্বর চার্জ শুনানির তারিখ ধার্য করে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ দেন।

গত ২৬ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দীন এই চার্জশিট দাখিল করেন।

চার্জশিটে বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯০২ টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আনা হয়েছিলো।

চার্জশিটে বলা হয়েছিলো, বজলুর রশীদ রূপায়ন হাউজিং স্টেট থেকে ঢাকার সিদ্ধিশ্বরী রোডের ৫৫/১ (পুরাতন) ৫৬/৫৭ (নতুন) নির্মাণাধীন স্বপ্ন নিলয় প্রকল্পের ২৯৮১ বর্গফুট আয়তনের অ্যা পার্টমেন্ট কেনেন।

ইতোমধ্যে তিনি অ্যা পার্টমেন্টের মূল্যবাবদ তিন কোটি ৮ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। এ অ্যা পার্টমেন্ট ক্রয়বাবদ বজলুর রশীদ যে টাকা পরিশোধ করেছেন, এর সপক্ষে কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি।

এমনকি তিনি অ্যা পার্টমেন্টের ক্রয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য তার আয়কর নথিতে দেখাননি। পরিশোধিত ৩ কোটি ৮ লাখ টাকা জ্ঞাত আয় উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দুদক আইন ২৭ (১) ধারায় চার্জশিট দাখিল করা হয়।

২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল অ্যা পার্টমেন্ট কেনার জন্য রূপায়ন হাউজিং স্টেটের সঙ্গে তিনি চুক্তি করেছিলেন। এরপর ২০১৮ সালের ৭ জুন পর্যন্ত ৫৪ হাজার টাকা ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে চেকে পরিশোধ করেন।

আর বাকি ৩ কোটি ৭ লাখ ৪৬ হাজার নগদে পরিশোধ করেন। তার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কারা ক্যাডারের ১৯৯৩ ব্যাচের কর্মকর্তা বজলুর রশীদ ঢাকায় কারা সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করেন। ডিআইজি হিসেবে এর আগে সর্বশেষ রাজশাহীতে ছিলেন।