সিডনিতে বর্ণবিদ্বেষের শিকার শিল্পা শেঠি!

টিবিটি টিবিটি

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:০৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮ | আপডেট: ৮:০৩:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৮

অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিমানবন্দরে বর্ণবিদ্বেষের শিকার হলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি কুন্দ্র। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করে তিনি জানিয়েছেন, কোয়ান্তাস বিমানে চড়ে মেলবোর্ন যাওয়ার পথে বাজে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন তিনি।

শিল্পা জানান, বিমানবন্দরের একজন কর্মচারী (গ্রাউন্ড স্টাফ) কোনো কারণ ছাড়াই তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। পোস্টে শিল্পা শেঠি বলেন, বিমানবন্দরের ওই কর্মী কীভাবে তাঁকে তাঁর অর্ধেক খালি ডাফল ব্যাগকে ‘ওভারসাইজড লাগেজ’ বলে হেনস্থা করেছেন।

‘সিডনি থেকে মেলবোর্ন যাওয়ার পথে চেকিংয়ের সময় কাউন্টারে মেল’র (ওই কর্মী) সঙ্গে দেখা হয়। সে বলে, একসঙ্গে ট্রাভেল করার সময় আমাদের (বাদামি রঙের মানুষদের) সঙ্গে রুঢ়ভাবে কথা বলাই উচিত। আমার কাছে বিজনেস ক্লাসের টিকিট ছিল এবং দুটো ব্যাগ ছিল। সে জোর করে বলে, আমার অর্ধেক খালি ডাফেল ব্যাগটা না কি ওভারসাইজড (চেক ইন করার পক্ষে!)

‘তারপর সে ওভারসাইজড ব্যাগেজ কাউন্টারে অর্ধেক খালি ডাফেল ব্যাগ নিয়ে আমাদের চেক ইন করতে পাঠায়’, বলেন শিল্পা।

তবে ওভারসাইজড ব্যাগেজ কাউন্টারের কর্মীরা এ অভিনেত্রীকে বলেন, তাঁর ব্যাগ ওভারসাইজড নয়। ম্যানুয়ালিই তিনি ঢুকতে পারবেন। কিন্তু ওই কর্মী তাঁদের ফের আটকান। খবর এনডিটিভি ও ডিএনএর।

শিল্পা বলেন, ‘ম্যানুয়াল চেক ইনে যেহেতু পাঁচ মিনিট অপেক্ষার পরও কোনো কাজ হয়নি, তাই আমি মেলকে ফের অনুরোধ করি, যেন সে ব্যাগটা নিয়ে যেতে দেয়। কারণ তাঁর সহকর্মী জানিয়েছে, ব্যাগটা ওভারসাইজড নয়। মেল আবারও প্রত্যাখ্যান করে।

‘আমি তখন তাঁকে জানাই, আমরা হেনস্থার শিকার হচ্ছি। আমাদের হাতে নষ্ট করার মতো সময় নেই।’

শিল্পা শেঠি আরো জানান, তাঁর পোস্ট শুধু কোয়ান্তাস এয়ারলাইনসকে জানানোর জন্য—তাঁরা যেন তাঁদের কর্মীকে হেল্পফুল হতে ও মানুষের গায়ের রং দেখে আচরণ না করার শিক্ষা দেয়।

শিল্পা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, ‘রুঢ় আচরণ সহ্য করা হবে না।’

শিগগিরই শিল্পা শেঠির ‘ডিজিটাল ডেব্যু’ হতে যাচ্ছে। তিনি ‘হিয়ার মি লাভ মি’ নামে ওয়েব ডেটিং শো করতে যাচ্ছেন।

সম্প্রতি শিল্পা জানিয়েছেন, তিনি সিনেমায় ফিরতে চান, কারণ তাঁর ছেলে এখন বড় হয়েছে। শিল্পাকে শেষবার রুপালি পর্দায় দেখা গিয়েছিল ‘আপনে’ ছবিতে। ওই ছবিতে আরো ছিলেন ধর্মেন্দ্র , সানি দেওল ও ববি দেওল।