সেই হামলার পর তেল উৎপাদন অর্ধেকে নামিয়েছে সৌদি

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:২৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯ | আপডেট: ৮:২৭:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

ড্রোন হামলা সৌদির তেল শিল্পে মারাত্মক আঘাত হেনেছে। সেই হামলার পর থেকে সাময়িকভাবে প্রতিদিন ৫৭ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন কমিয়েছে সৌদি আরব। এ উৎপাদন দেশটির মোট দৈনিক তেল উৎপাদনের অর্ধেক।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে এ হামলার কারণে সোমবার থেকে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি তিন ডলার থেকে ৫ ডলার বেড়ে যেতে পারে।

এক বিবৃতিতে সৌদি আরবের জ্বালানি মন্ত্রী আব্দুল আজিজ বিন সালমান বলেছেন, এই হামলায় দেশটির দৈনিক তেল উৎপাদন ৫৭ লাখ ব্যারেল হ্রাস পাবে।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকো বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন ৭০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি তেল রফতানি করে থাকে দেশটি।

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে উত্তেজনার জেরে এর আগেও কয়েকবার সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলা হয়েছিল। কিন্তু গতকালের হামলাটি স্মরণকালের সবচেয়ে বড় হামলা ছিল। এতে দেশটির তেল উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেকেরও বেশি সাময়িকভাবে পঙ্গু হয়ে থাকবে।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল স্থাপনায় হামলায় দায় ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী স্বীকার করলেও এর জন্য ইরানকে দায়ি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

হুতিদের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেন, হুতিরা ড্রোন হামলা করেনি। ইরান হুতিদের নাম করে অভিনব কৌশলে দাম্মামের অদূরে বাকিয়াক এলাকার সেই তেলকূপে হামলা চালিয়েছে।

এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইরান রোববার যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধের হুমকি দিয়ে বলেছে, এ অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও তাদের বিমানবাহী রণতরী তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আব্বাস মুসাভি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে মার্কিন দাবিকে বাতিল করে এটিকে অর্থহীন বলে উল্লেখ করেছেন।

ইরানের বিপ্লবী বাহিনীর একজন সিনিয়র কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছেন, ইসলামিক রিপাবলিক পুরোপুরি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।