সৈয়দপুর বিমানবন্দরের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে কর্মকর্তাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ৮:১৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০১৯ | আপডেট: ৮:১৮:অপরাহ্ণ, আগস্ট ৩১, ২০১৯
ছবি: টিবিটি

মোঃ সাদিক-উর রহমান শাহ্ (স্কলার), নীলফামারী প্রতিনিধি: উত্তরের নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরীর অনুকূলে চলমান ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে নীলফামারী জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোঃ হাফিজুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিতে উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সম্মানিত সদস্য (অর্থ) মোঃ মিজানুর রহমান (যুগ্ম-সচিব), পরিচালক(প্রশাসন) আবুল ফয়েজ মোঃ আলাউদ্দিন খান (যুগ্ম-সচিব), দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মোঃ মাহমুদুল আলম, ডি.ডি.এল.জি মোতালেব হোসেন, নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খন্দকার নাহিদ হাসান, সৈয়দপুর সেনানিবাসের প্রতিনিধি মেজর মুক্তাদির সহ সংশিলিষ্ট সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক করার ঘোষণা দেন।

সেই ধারাবাহিকতায় মাঠ পর্যায়ে নীলফামারীর সৈয়দপুর ও দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপ-জেলার ৯১২ একর জমির আওতায় অধিগ্রহণের ফিল্ডবুক তৈরী শুরু হয় চলতি বছরের ৯ এপ্রিল হতে।

৯১২ একর জমি মধ্যে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় ৫৩৫ একর ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি, সরকারি জমি ৬০ একর, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৯ একর, সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৬ একর, সৈয়দপুর সেনানিবাসের প্রায় ১৪ একর ও খাসজমি ১৩ একর। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচন্ডি ইউনিয়নের ৩১৭ একর ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণের আওতায় পড়েছে।

সভায় জমি অধিগ্রহনের অগ্রগতি নিয়ে নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলার দুই জেলা প্রশাসক বিস্তারিত তুলে ধরেন। সভায় জানানো হয়, আগামী এক মাসের মধ্যে দুই জেলার জেলা প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে জমির মূল্য নির্ধারন করবেন। এ জন্য অধিগ্রহন এলাকার জমির মালিক বা প্রতিষ্ঠানকে ৪ ধারা পর্যন্ত নোটিশ করা হয়। জমির মুল্য নির্ধারনের পর জমি অধিগ্রহনের অর্থ জমির মালিক ও সরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিপূরন প্রদান করা হবে।