সৌদির এক প্রিন্সেস নিখোঁজ!

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: 5:15 PM, November 20, 2019 | আপডেট: 5:15:PM, November 20, 2019

সৌদি রাজকন্যা বাসমাহ বিনতে সৌদ। প্রায় আট মাস ধরে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ঘনিষ্ঠজনদের দাবি, চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়েছে। এরপর তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের সাংবিধানিক সংস্কার এবং মানবাধিকার নিয়ে কথা বলে আসছেন বাসমাহ। তার মতো দেশটির রাজতন্ত্রের সমালোচকরা ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ক্রোধের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রাজপরিবারের অনেককেই এজন্য হত্যা, গুম, কারাবন্দি ও হুমকির শিকার হতে হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, কোনো রকমের আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই তাকে রিয়াদে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

বাসমাহর ঘনিষ্ঠ একজনের বরাতে জানা গেছে, বাসমাহ চাইলেও তার বক্তব্য প্রকাশ করতে পারছেন না।কেননা তার সমস্ত যোগাযোগের ওপর নজর রাখা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ওই ব্যক্তি নাম প্রকাশ করতে চাননি।

একটি সূত্র জানিয়েছে, কন্যাকে নিয়ে বিদেশ পালিয়ে যেতে পারেন এমন সন্দেহে চলতি বছরের মার্চে বাসমাহকে বন্দি করা হয়। চিকিৎসার জন্য তার সুইজারল্যান্ডে যাওয়ার কথা ছিল। সুইস ডাক্তারের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ১৮ ডিসেম্বর বাসমাহ কন্যাসহ জেদ্দা ত্যাগের ছাড়পত্র পান। কিন্তু ভ্রমণের দিনই দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় এবং উড়োজাহাজ থেকে নামিয়ে আনা হয় বলে জানান তার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইনজীবী লিওনার্ড বেনেট।

বেনেটে বলেন, দুই মাস পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না৷ কেউ জানে না তিনি কোথায় আছেন৷ আমরা প্রকৃতপক্ষে খারাপ কিছুর আশঙ্কা করছি।

তিনি জানান, কয়েক দফা ফোন কল করার পর তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হলেও তিনি তেমন কিছু বলেননি। বাসমাহর কথা শুনে মনে হয়েছে তিনি বন্দি অবস্থায় রয়েছেন। বাসমাহর গন্তব্য সুইজারল্যান্ডের জেনেভা হলেও, যাওয়ার কথা ছিল তুরস্ক হয়ে। আঙ্কারার সঙ্গে শত্রুতামূলক সম্পর্ক থাকায় রিয়াদ বিষয়টিকে দেখেছে সন্দেহের চোখে।

সূত্র অনুযায়ী, কন্যাকে নিয়ে বিদেশ পালিয়ে যেতে পারেন এমন সন্দেহে চলতি বছরের মার্চে বাসমাহকে আটক করা হয়েছে।

চিকিৎসার জন্য তার সুইজারল্যান্ডে যাওয়ার কথা ছিল। সুইস চিকিৎসকের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ ডিসেম্বর বাসমাহ কন্যাসহ জেদ্দা ত্যাগের ছাড়পত্র পান। কিন্তু ভ্রমণের দিনই দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় এবং উড়োজাহাজ থেকে নামিয়ে আনা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তার আইনজীবী লিওনার্ড বেনেট এমন তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই মাস পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ মিলছে না। কেউ জানে না তিনি কোথায় আছেন। আমরা সত্যিকার অর্থে খারাপ কিছুর আশঙ্কা করছি।

এই আইনজীবী আরও বলেন, কয়েক দফা ফোন করার পর তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হলেও তিনি তেমন কিছু বলেননি। বাসমাহর কথা শুনে মনে হয়েছে তিনি বন্দি অবস্থায় রয়েছেন।

বেনেট বলেন, বাসমাহর গন্তব্য সুইজারল্যান্ডের জেনেভা হলেও যাওয়ার কথা ছিল তুরস্ক হয়ে। আংকারার সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক থাকায় রিয়াদ বিষয়টিকে দেখেছে সন্দেহের চোখে।