স্টার্লিংয়ের সেঞ্চুরি ম্লান করে আফগানদের হাতে হোয়াইটওয়াশ হলো আইরিশরা

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:২৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২১ | আপডেট: ৯:২৬:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০২১

দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করেও আয়ারল্যান্ডকে জয় এনে দিতে পারলেন না পল স্টার্লিং। সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ৩৬ রানে হেরে আফগানিস্তানের হাতে হোয়াইওয়াশ হয়েছে আইরিশরা।

মঙ্গলবার আরব আমিরাতে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ৩৬ রানে হারিয়েছে আফগানিস্তান। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তান করে ৯ উইকেটে ২৬৬ রান। জবাবে আয়াল্যান্ডের ইনিংস শেষ হয় ২৩০ রানে, ৪৭.১ ওভার। তিন ম্যাচ সিরিজে আফগানরা জিতল ৩-০ ব্যবধানে।

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে যতক্ষণ ক্রিজে পল স্টারলিং ছিলেন ততক্ষণ কক্ষপথেই ছিল আয়ারল্যান্ড। দলীয় ১৮৭ রানের মাথায় বিদায় নেন স্টারলিং। কিন্তু তার আগে খেলে যান দারুণ এক ইনিংস। করেন সেঞ্চুরি। ১১৯ বলে করেন ১১৮ রান। নয়টি চারের সাথে তিনি ছক্কা হাকান ছয়টি। তার বিদায়ের পর আস্তে আস্তে ঝিমিয়ে যায় আইরিশ শিবির। ক্রমেই বাড়তে থাকে নেট রান রেট। শেষ দিতে তা আরও বেড়ে গেলে আর কুলিয়ে উঠতে পারেনি দলটি।

রশিদ খান, মুজিবউর রহমান ও মোহাম্মদ নবী- এই তিন স্পিনারেই মূলত ঘায়েল হয় আয়ারল্যান্ড। স্টারলিং স্রোতের প্রতিক’লে বিধ্বংসী ব্যাটিং করলেও সতীর্থরা পারেনি। জেমস ম্যাককলাম ও অধিনায়ক বালবিরনি পৌছাতে পারেননি দুই অঙ্কের রানে। মিডল অর্ডারে হ্যারি টেক্টর ২৪, লরকান টাকার ২২, সিমি সিং ২০, কার্টিস ১২ রান করেন।

বল হাতে আফগানিস্তানের হয়ে দুর্ধর্ষ বোলিং করেছেন রশিদ খান। ৯ ওভারে ২৯ রানে তিনি তুলে নেন চার উইকেট। মুজিব দুটি, নবী ও নাভিন নেন একটি করে উইকেট।

এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের হয়ে কম বেশি রান পেয়েছেন সবাই। ২৬৬ রানের ইনিংসে যদিও ছিল না কোন ফিফটির দেখা। ফিফটির খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন স্পিনার রশিদ খান। তবে তাকে থামতে হয় ৪৮ রানে। ৪০ বলের ইনিংসে তিনি তিনটি করে হাকান চার ও ছক্কা।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন অধিনায়ক আসগর আফগান। এই রান করতে বেশ লড়াই করতে হয়েছে তাকে। বল খরচ করতে হয়েছে ৮২টি। শম্বুক গতির ইনিংসে তিনি মারেন তিনটি চার ও একটি ছক্কা।

মিডল অর্ডারে ৪৪ বলে ৩৬ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন গুলবাদিন নাইব। মোহাম্মদ নবী করেন ৩২ রান। ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ঝড়ো শুরু করেই থেমে যান ইয়ংয়ের বলে বোল্ড হয়ে। ১০ বলে তিনি করেন ২২। চারটি চার ও একটি ছক্কা ছিল তার ইনিংসে। আরেক ওপেনার জাভেদ আহমাদি ১০ বলে করেন ১৯ রান। এর মধ্যে ছিল তিনটি চার ও একটি ছক্কা।

লেজের সারির ব্যাটসম্যান হিসেবে মুজিব ১৮ ও নাভিন উল হক ১০ রানে থাকেন অপরাজিত। দুই অঙ্কের নিচের রানের মধ্যে ছিলেন শুধু রহমত শাহ ও নাজিবুল্লাহ জাদরান।