স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এমএসআর কেনার সিডিউল ছিনতাই

প্রকাশিত: ৭:২৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৮, ২০২১ | আপডেট: ৭:২৫:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৮, ২০২১

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা হাসপাতাল ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর জন্য এমএসআর সামগ্রী ক্রয়ের দাখিলকৃত সিডিউল টেন্ডার বাক্সের তালা ভেঙ্গে ছিনতাই করে নিয়ে গেছে অজ্ঞাত পরিচয়ের ৬ থেকে ৭ যুবক।

সোমবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ওই যুবকরা অফিসের লোকজনকে জিম্মি করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিস কক্ষে রক্ষিত টেন্ডার বাক্সের তালা ভেঙ্গে দাখিলকৃত ৪ থেকে ৫টি সিডিউল সেট ছিনতাই করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ওই কর্মকর্তা উলিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে শহর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২০-২১ইং অর্থবছরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এমএসআর সামগ্রি ক্রয়ে দরপত্র আহবান করা হয়। আজহ সোমবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টা পর্যন্ত দরপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়। দরপত্র জমাদানের শেষ দিন সোমবার সকাল ৯টায় উপস্থিত কর্মচারীদের জিম্মি করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে রক্ষিত টেন্ডার বক্সটির তালা ভেঙে দাখিলকৃত দরপত্রগুলো ছিনতাই করে নিয়ে যায় দূর্বৃত্ত্বরা। এ ঘটনায় অজ্ঞাত ৭-৮ জনকে বিবাদি করে উলিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে।

গত ৩০ডিসেম্বর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ঔষুধপত্র,সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি, লিলেন সামগ্রি, গজ-ব্যান্ডেজ-তুলা,কেমিকেল ও রিয়াজেন্ট, আসবাবপত্র ও ক্রোকারিজ (এমএসআর) এর ৪৫ লাখ টাকার দরপত্র আহবান করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুভাষ চন্দ্র সরকার বলেন, সকাল ৯টায় ৭-৮ জনের একটি সংঘবদ্ধদল দরপত্র জমা দেয়ার কথা বলে আমার কক্ষে প্রবেশ করে। এসময় উপস্থিত কর্মচারীদেরকে জিম্মি করে টেন্ডার বক্সের তালা ভেঙে দরপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

উলিপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. নূরে-এ-জান্নাত রুমি বলেন, ঘটনা জানার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আইনী পরামর্শ নিতে বলা হয়েছে। এ অবস্থায় দরপত্র স্থগিত করা হয়েছে।