স্রোতিস্বিনী

প্রকাশিত: ৫:৩৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০ | আপডেট: ৫:৩৯:অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২০
ছবি: টিবিটি

বিচ্ছেদ-বিরহে বড়োই কাতর
মোর র্হদয় মম
আজো খুঁজি হন্যে হয়ে
ছুটে চলেছি দিক-প্রান্তর
এসেছিলে স্রোতিস্বিনী
বিহঙ্গ বিদীর্ণ করে
ভাঙ্গা তীর পলিমাটি আবৃত
ভরাট হচ্ছিল ধীরে
আষাঢ়-শ্রাবণে দেখেছি তোমার রূপ
কতইনা ঢেউ কলতান ধ্বনি ওঠে
এসেছিলে অন্তিম ক্ষণে
ওগো চর্যাপদের হরিনী
ক্ষণে ক্ষণে জাগ্রত হয়েছিল
ঘগন প্রান্তরে আলোকরশ্মি
ক্রমেই মননে জেগে ওঠেছিল
আশা জাগানিয়া বিশাল চর
হোলিখেলায় মত্ত হয়েছো এখন
হয়েছো ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’
জানতে তো! চিরায়ত শিকলে বাধা
তখনো শূণ্য ছিল মোর র্হদয়ের গভীরতা
সেখানেই বেধেছিলে বাসা
দিয়েছিলে আশা
তাতেই পূর্ণতা পাওয়ার স্বপ্ন দেখিয়েছিলে
আজ কেন মুখ ফিরিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠলে
অব্যক্ত কথামালা তোমার, নীরবচারী নিশ্বাস
ভেবে ছিলাম যেন অগ্নিবীণার সুর
উন্মাদনের হাজার পঁয়ষট্টি রাত্রিদিন
করেছিল মোরে সমাজ বিদ্রোহী
তবে কী বলবো! তোমার অভিনয়পটু
তখন দারুণ উপভোগ করেছি!
মিথ্যে অপবাদ,ভয়ভীতি প্রলোভনে
চারিদিক ছিল তখন ঘেরা
নাস্তেনাবুদ হয়েছিলাম বটে,
তবুও ছাড়িনি হাল, ছেড়ে দিয়েছিলাম পাল
বিষণ্ণতার ছাপ ঘিরে ফেলেছিল চারিদিক
ভীষণ ভাবে নিন্দিত হয়েছি আমি।
ভরসা করি তোমায় হয়েছি উন্মাদ
হয়েছি চিরায়ত প্রথার পালায়িতা দ্রোহী।
বলি আর কতো নিঃশ্বাস ফেলবে নীরবে
ওগো মোর স্রোতিস্বিনী।
তোমার চোখের নোনাজল
অদৃশ্য যন্ত্রণার নিঃশ্বব্দ হা-হুতাস,
গোলাপি ঠোঠের কাতরতা
সবুজ ঘাসের অসম্ভব সুন্দর শয্যা
তাতো আজো আমায় বড্ড তাড়া করে
তবে ফিরে গেলে কেন
আশাহত করে মোরে
ওগো স্রোতিস্বিনী।

লেখক: মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী
বি.দ্র: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং স্মরণে লেখা কবিতা