সড়ক পরিবহন আইন মেনে চলুন এ আইন কারো ক্ষতি করবে না: কাদের

প্রকাশিত: 6:51 PM, November 19, 2019 | আপডেট: 6:51:PM, November 19, 2019
ছবি: টিবিটি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, ধর্মঘট করে মানুষকে কষ্ট দেবেন না। সড়ক পরিবহন আইন মেনে চলুন। এ আইন কারো ক্ষতি করবে না।

জনস্বার্থে এ আইন করা হয়েছে। সড়কের যে আইন হয়েছে সে জন্য আমি পরিবহন মালিক, শ্রমিক, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ জানাবো আইনটি মেনে চলুন। শুধু জনগণের স্বার্থে, আপনাদের নিজের স্বার্থে সড়কে আজ শৃংখলা দরকার।

এ আইন সড়কের শৃংখলার জন্য, কাউকে শাস্তি দেয়ার জন্য নয়। শেখ হাসিনা সড়কের আইন করেছেন কাউকে শাস্তি দিতে নয়। আইনের প্রয়োগ বাড়াবাড়ি হবে না।
তিনি গতকাল মঙ্গলবার বিকালে গাজীপুর শহরের শহীদ বরকত স্টেডিয়ামে গাজীপুর মহানগর ও জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভেকেট আকম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং গাজীপুর সিটি মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় প্রতিনিধি সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও শিক্ষা উপ-মন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দি, উপ-প্রচার সম্পাদক মোঃ আমিনুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, সিমিন হোসেন রিমি এমপি, গাজীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাবেক এমপি আখতারউজ্জামান, ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি, মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, সামসুন্নাহার এমপি প্রমুখ।

তিনি নেতাদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন আওয়ামীলীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখুন। তৃণমূলে আপনাদেরকে এক থাকতে হবে। কমিটি করতে গিয়ে পকেট কমিটি করবেন না। দুঃসময়ের ত্যাগিদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। অনুপ্রবেশকারী ক্লিণ ইমেজের লোক আওয়ামীলীগে অবশ্যই স্বাগত জানাবো কিন্তু দুষিত রক্ত আমাদের দরকার নেই।
তিনি নেতা কর্মীদের কে মানুষের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন দল ভারি করার জন্য খারপ লোকদের পকেটে আনবেন না। এই খারাপ লোকেরা বসন্তের কোকিল। বসন্ত আসলে আসবে ক্ষমতা চলে গেলে পাঁচ হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। আওয়ামীলীগ সুবিধা বাদীদের দল নয়। আওয়ামীলীগ আদর্শের দল। আমাদের আদর্শ হচ্ছে আমাদের শিকড়। আদর্শের শিকড় হতে বিচ্যুত হলে আওয়ামীলীগ বাঁচবে না।

আওয়ামীলীগ বাঁচবে যতদিন আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আকড়ে ধরে রাখবো। আমরা যতদিন আদর্শের শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত থাকবো ততদিন আওয়ামীলীগ বেঁচে থাকবে। আর বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামীলীগকে বাঁচাতে হবে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে বাঁচাতে হলে আওয়ামীলীগকে বাঁচাতে হবে।

তিনি বলেন, পিয়াজের দাম কমে যাচ্ছে। পিয়াজের দাম এখন নিয়ন্ত্রণে এসে যাচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যে পেয়াজের মূল্য স্বাভাবিক হবে। লবন নিয়ে অনেকে কারসাজি শুরু করেছে খবর পাচ্ছি। সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, তিনি বলেন, বিএনপির আর কোন ইস্যু নেই। বিএনপির এখন বেলা শেষ। শেষ বেলায় বিএনপির নেতারা ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে। একটার পর একটা ইস্যু খুঁজে বেড়াচ্ছে। বিএনপির হাতে আমরা কোন ইস্যু দেব না।