হবিগঞ্জে শ্বশুরই জামাইকে গলা কেটে লাশ হাওরে ফেলেছে

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:২২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১, ২০১৮ | আপডেট: ৮:২২:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১, ২০১৮

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার টঙ্গিরঘাটে চাঞ্চল্যকর কাউছার হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত তিনজনের মধ্যে নিহতের স্ত্রী সুখবানু ও শ্বশুর মকছুদ মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শ্বশুর ও তার ভাই মিলে জামাইকে গলা কেটে হাওরে ফেলে দেয়। আর এসব জানত তারই স্ত্রী।

রেবাবার রাত ৮টায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় এ জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। দুই ঘণ্টাব্যাপী চলে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড। জবানবন্দিতে তারা হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

জবানবন্দি শেষে আদালত সুখবানু, তার বাবা মকছুদ মিয়া ও মাতা খাইরুন্নেচ্ছাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

নিহত কাউছার উমেদনগর গ্রামের আকল মিয়ার ছেলে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে মকছুদ আলী ও তার ভাই আব্দুল কাদির কাউছারকে গলা কেটে হত্যা করে লাশ বাহুবল উপজেলার রউয়াইল হাওরে ফেলে দেয়।

পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিদের আটক করে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার রাতে ওই হাওর থেকে লাশ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) জিয়াউর রহমান জানান, পরিকল্পিতভাবে কাউছারকে হত্যা করেছে শ্বশুরসহ আত্মীয়স্বজনরা। জবানবন্দিতে কাউছারের শ্বশুর মকসুদ আলী হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করে।

এ ঘটনায় নিহত কাউছারের ভাই জালাল মিয়া বাদী হয়ে কাউছারের স্ত্রী সুখবানু, তার পিতা মকছুদ মিয়া, মাতা খাইরুন্নেছা, ভাই আমান আলী, চাচা কাদির মিয়াসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।