বদলগাছীতে গ্রামের হাটবাজারে লকডাউনের প্রভাব নেই!

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:১৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৬, ২০২১ | আপডেট: ৯:২১:অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৬, ২০২১

খালিদ হোসেন মিলু, বদলগাছী (নওগাঁ) সংবাদদাতা: ‘গ্রামের হাটবাজারগুলোতে লকডাউনের কোনো প্রভাবই নেই। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলছে বেচাকেনা। তবে সড়কে ছিল না তেমন যানবাহন।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) সারা দেশে একযোগে শুরু হয় কঠোর লকডাউন।কঠোর লকডাউন শুরুর পর থেকে হাটবাজার গুলোতে মানছেনা স্বাস্থ্যবিধি, নেই সামাজিক দূরত্ব, মুখে নেই মাস্ক -এ যেন করোনার হটস্পট’।

খালিদ হোসেন মিলু বদলগাছী (নওগাঁ)প্রতিনিধি: নওগাঁর বদলগাছীতে ও সারা দেশের ন্যায় সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন
চলছে।করোনায় সরকারি বিধিনিষেধ মেনে চলতে জনসচেতনতা মূলক প্রচার ও কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে কাজ করছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন।

কিন্তু গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মানছেনা করোনায় স্বাস্থ্যবিধি, মুখে নেই মাস্ক, সামাজিক দূরত্বর বালাই নেই।

নওগাঁর জেলার বৃহত্তম হাটবাজার কোলা হাট।

করোনাকালীন সময়ে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউনের মধ্যে ও উপজেলার প্রায় সব হাটবাজার গুলোতে মানা হচ্ছেনা করোনায় স্বাস্থ্যবিধি।

সরজমিনে দেখাযায়,শুক্রবার ছিল উপজেলার কোলা ইউপির সাপ্তাহিক হাট কোলাহাট। সকাল হতেই শুরু হয় বাজারে লোকজনের আনাগোনা। বেলা বাড়তে বাড়তে চোখে পড়ে প্রচুর জনসমাগম। ক্রেতা বিক্রেতার ভিড় ঠেলে বাজারে বেচাকেনায় ব্যস্ত সবাই। মাছ বাজার,মাংসপট্টি,কাঁচা বাজার,পাইকারি বাজার সহ হাটের বিভিন্ন যায়গায় অধিক জনসমাগম একে অপরের শরীর স্পর্শ করে গাদাগাদি করে চলছে গ্রামের হাটবাজার।

সাপ্তাহিক হাটবাজার এ নেই সামাজিক দূরত্ব অধিকাংশ মানুষের মুখে নেই মাস্ক, স্বাস্থ্যবিধির নেই কোন বালাই। এ যেন করোনার হটস্পট।সমাজের সচেতন মহলের দাবি কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে প্রশাসনের জড়ালো ভূমিকায় পালন করার দরকার।

অন্যদিকে উপজেলার ব্যস্ত সড়কগুলোতে নেই চিরচেনা ভিড় কিংবা যানজট। গণপরিবহন না থাকলেও ছোট যানবাহন ও পণ্যবাহী পরিবহনের চলাচলে পুলিশি চেকপোস্ট পার হতে হচ্ছে। কোথাও মাইকিং করে জনগণকে ঘরে থাকার অনুরোধ। কোভিড সংক্রমণ রোধে ঘোষিত লকডাউনের নির্দেশনার তৃতীয় দিনের এ চিত্র বিভিন্ন জায়গায়।

যারা প্রয়োজনের তাগিদে বাইরে এসেছেন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনের ধরন বুঝে মিলছে চলাচলের অনুমতি। গণপরিবহন না থাকলেও ছোট যানবাহন ও পণ্যবাহী পরিবহন চলছে। সড়কগুলোর দুপাশের দোকানপাট ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে বেশিরভাগই। তবুও কাজের অপেক্ষায় কোথাও কোথাও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় শ্রমিকদের।

মূলসড়কের চেয়ে কিছুটা ভিন্নচিত্র অলিগলিতে। নিষেধাজ্ঞা না মেনে বাসার আশপাশে অযথা ঘোরাঘুরি কিংবা অজুহাত দেখিয়ে বাইরে আসা লোকদের পড়তে হচ্ছে পুলিশের জেরার মুখে। লকডাউন কার্যকর কাজ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পুলিশ জানায়, সার্বক্ষণিক তদারকি ও নজরদারির মাধ্যমে নির্দেশ বাস্তবায়ন চলছে।

দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, করোনায় কঠোর স্বাস্থ্যবিধির আওতামুক্ত ও ‘ওষুধের দোকান এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া বাকি সব বন্ধ আছে।

জরুরি পরিসেবা চালু আছে। আমরা সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছি।’ ১৪ই এপ্রিল থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এ পর্বের ‘সর্বাত্মক লকডাউন’।