হার্ট ভাল রাখতে হলে খাদ্যাভ্যাসে যে ৫ পরিবর্তন জরুরি

প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৩৯:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৯

বিজ্ঞানীরা বলছেন, খাদ্যাভ্যাসে মাত্র পাঁচটি পরিবর্তন এনে হৃদরোগ ও স্ট্রোক থেকে আমরা নিজেদের রক্ষা করতে পারি। ব্রিটেনে পুষ্টি ফাউন্ডেশন তাদের নতুন এক রিপোর্টে বলছে, বয়স কম হওয়া সত্ত্বেও এই দুটো কারণে বহু মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

এক পরিসংখ্যান বলছে, ব্রিটেনে যতো মানুষের অকাল মৃত্যু হয় তার অন্তত চার ভাগের এক ভাগের মৃত্যুর জন্যে দায়ী হৃদরোগ। স্বাস্থ্য গবেষকরা বলছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব।

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলে হার্ট ভালো থাকবে ও সুস্থভাবে জীবন যাপন করা যাবে।

আসুন জেনে নেই খাবারে কি ধরনের পরিবর্তন আনতে হবে।

১. প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। এসব খাবারের কারণে শরীরে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে সাহায্য করে এই ব্যাকটেরিয়া।

বেশি আঁশ আছে এরকম সবজির মধ্যে রয়েছে শিম ও মটরশুঁটি জাতীয় সবজি, কলাই ও ডাল জাতীয় শস্য এবং ফলমূল।

এছাড়া আলু, শেকড় জাতীয় সবজি খোসাসহ রান্না করে খাওয়া, হোলগ্রেইন আটার রুটি এবং বাদামী চাল খাবারও পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

২. স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা জমাট-বাঁধা চর্বি জাতীয় খাবার না খাওয়াই ভালো। এসব খাবার খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে বেড়ে যায় হৃদরোগের ঝুঁকিও।

চিজ, দই, লাল মাংস, মাখন, কেক, বিস্কিট ও নারকেল তেলে প্রচুর পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে।

সপ্তাহে অন্তত একদিন এমন মাছ খেতে হবে যাতে প্রচুর তেল আছে। ক্রিস্প ও বিস্কিটের বদলে নানা ধরনের বাদাম ও বীজ খেতে পারেন।

৩. লবণ বেশি খেলে শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এর ফলে বৃদ্ধি পায় হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও।

ব্রিটেনে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হয় যে এনএইচএস থেকে তাদের পরামর্শ হলো দিনে সর্বোচ্চ ৬ গ্রাম (এক চা চামচের পরিমাণ) লবণ খাওয়া যেতে পারে।

৪. যেসব খাবারে ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ বেশি থাকে সেগুলো আমাদেরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এসব খাবার হৃদরোগের ঝুঁকিও কমিয়ে দেয়।

৫. যদি চিনি, লবণ, স্যাচুরেটেড চর্বিযুক্ত খাবার কম খান। ভিটামিন ও মিনারেল আছে এরকম খাবার বেশি খান তাহলে আবার মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও কম।

আরো যেসব বিষয় খেয়াল রাখতে হবে

১. প্রতিদিন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।

২. সপ্তাহে অন্তত আড়াই ঘণ্টা ব্যায়াম করুন।

৩. মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলুন।

৪. ধূমপান ছেড়ে দিন।