হাসপাতালে মাশরাফি, যে বিষয়ে আলোচনা হল সাকিবের সঙ্গে

টিবিটি টিবিটি

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:১৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮ | আপডেট: ৬:১৮:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৮

এশিয়া কাপ শেষে শনিবার দেশে ফিরেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা ও তার দল। বিমানবন্দরে সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, সাফল্য-ব্যর্থতা তুলে ধরেন মাশরাফি। সংবাদ সম্মেলন ও নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে গভীর রাতে বাড়ি ফেরেন ম্যাশ।

এরপর সকাল হতেই অন্য সব কাজ ফেলে মাশরাফি ছুটে যান অ্যাপোলো হাসপাতালে। বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডারের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে ৩০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা নাগাদ হাসপাতালে পৌঁছান মাশরাফি। আঙুলের চোট নিয়ে সেখানে ভর্তি রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সেরা তারকা সাকিব আল হাসান।

প্রায় দুই ঘণ্টা নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা করেন মাশরাফি-সাকিব। স্বভাবতই সাকিবের আঙুল ও এশিয়া কাপের বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে অধিনায়ক ও সহ অধিনায়কের মধ্যে।

জানা গেছে, মাশরাফি ছাড়া মিরাজ ও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হোসেন পাপনও রবিবার উপস্থিত হয়েছিলেন অ্যাপোলো হাসপাতালে। সাকিবের সঙ্গে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় কাটান পাপন। মিরাজও প্রায় ত্রিশ মিনিট ছিলেন তার প্রিয় সতীর্থের কাছে।

এছাড়া সদ্য বাবা হওয়া তাসকিন শনিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে সাকিবকে দেখতে গিয়েছিলেন।

প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের বিপক্ষে ডু অর ডাই ম্যাচের শেষ দিকে জয়ের প্রান্তে পৌঁছে গেছিলেন মোহাম্মদ নবী। ২৮ বলে ৩৮ রানের এক ঝড়ো ইনিংসের বদৌলতে প্রায় পাল্টেই ফেলেছিলেন সব হিসাব-নিকাশ। ঠিক সেই মুহূর্তেই জাত চেনান সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের দলের অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার ফিরিয়ে দিলেন নবীকে। ততক্ষণে ম্যাচ চলে আসে টাইগারদের দখলে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে নামার আগেই দেশে ফিরে আসতে হয়েছিল বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অল-রাউন্ডারকে। দীর্ঘদিনের আঙুলের চোট ফের মাথা চাড়া দেয়। ফলে ফাইনালে ভারতের বিপক্ষেও খেলতে পারেননি ৩১ বছর বয়সী এই তারকা।

আঙুলের চোটে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর, বুধবার রাতে দেশে ফেরেন সাকিব। অস্ত্রোপচারের জন্য দ্রুতই যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু হাতের ব্যথার তীব্রতায় সাকিবকে পরের দিন নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে। সেখানে সাকিবের হাতে ছোট একটি অস্ত্রোপচার করা হয়।

ওই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সাকিবের হাত থেকে ৭০ মিলিগ্রামের মতো পুঁজ বের করেন চিকিৎসকরা। আঙুলে জমে যাওয়া পুঁজ নিষ্কাশনের পর এখন ঘা শুকাতে তাকে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হচ্ছে।