হেডফোন ভেবে সাপের লেজ ধরেই যুবকের টানাটানি, অতঃপর…

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:৫০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২০ | আপডেট: ৭:৫০:অপরাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০২০

হেডফোন ভেবে র‍্যাট স্নেকের লেজ ধরে টানাটানি করল যুবক! হাতে ‘হেডফোন’টা অস্বাভাবিকরকম ঠান্ডা লাগতেই কিছুটা চমকে গিয়েছিলেন। তারপর মনে হল, ‘হেডফোন’টা যেন নড়ছে! ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে খাটের নীচে উঁকি মারতেই শিরদাঁড়া দিয়ে বয়ে যায় ঠান্ডা স্রোত।

জলপাইগুড়ির বাসিন্দা পার্থ মল্লিক দেখেন, হেডফোন ভেবে বিশালাকার এক সাপের লেজ ধরে টানাটানি করছেন তিনি।

জি নিউজের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, কাজে বের হওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করছিলেন পার্থ মল্লিক। মোবাইল ফোনের হেডফোনটা বিছানা থেকে নিতে গেলে হাত লেগে সেটি খাটের পাশের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নীচে পড়ে যায়। এরপর খাটের নীচে ঢুকে হাত বাড়িয়ে হেডফোনটি বের করার চেষ্টা করেন তিনি।

পার্থ মল্লিক জানিয়েছেন, খাটের নীচ থেকে ‘হেডফোন’ ভেবে সাপের লেড ধরে টানাটানি করতে থাকেন তিনি। প্রথমে বোঝেননি যে সাপের লেজ ধরে টানছেন। ‘হেডফোন’টা হাতে খুব ঠান্ডা লাগে। এবং তার মনে হয় যে সেটি নড়ছে! এরপর ভালো করে উঁকি দিয়ে তাকিয়ে দেখেন, বিশাল বড় এক সাপের লেজ ধরে টানাটানি করছেন তিনি।

ভয়ে খনিকক্ষণের জন্য খেই হারিয়ে ফেললেও পরক্ষণেই ঘর থেকে ছুটে বাইরে বেরিয়ে এসে সোজা ফোন করেন পরিবেশকর্মী বিশ্বজিৎ দত্ত চৌধুরীকে। তিনি এসে দক্ষতার সঙ্গে সাপটিকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী জঙ্গলে ছেড়ে দেন।

বিশ্বজিৎ দত্ত জানান, বর্ষায় জল ঢুকে এদের বাসস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে আশ্রয়ের খোঁজেই মূলত এরা লোকালয়ে চলে আসছে। সাপটি র‍্যাট স্নেক প্রজাতির। এটি নির্বিষ সাপ। এরা মূলত ইঁদুর খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। ফলে প্লেগ রোগ প্রতিহত হয়।