ডাউনলোডের চাপে বসে গেল সিগনাল অ্যাপ

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৪:৩৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২১ | আপডেট: ৪:৪৬:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৬, ২০২১

হুট করেই চাহিদা বেড়েছে মেসেজিং অ্যাপ ‘সিগনাল’ ও ‘টেলিগ্রাম’-এর। কারণ প্রতিদ্বন্দ্বী মেসেজিং অ্যাপ সেবা হোয়াটসঅ্যাপ নিজেদের ব্যবহারের শর্তাবলী আপডেট করেছে। ওই আপডেট পছন্দ হয়নি অনেকেরই।

হোয়াটসঅ্যাপ নিজেই সিগনালের এনক্রিপশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে। বুধবার মেসেজিং সেবাটি জানিয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদেরকে নিজ ডেটায় ফেইসবুক ও মূল প্রতিষ্ঠানের অধীনস্থ ব্যবসায়কে প্রবেশাধিকার দিতে হবে। এরকম ডেটার মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের ফোন নম্বর এবং অবস্থান ডেটাও থাকবে।

গোপনতা সমর্থক কয়েকজন সক্রিয় কর্মী বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেছেন। তারা ফেইসবুকের প্রতিদ্বন্দ্বী সামাজিক মাধ্যম টুইটারে প্রশ্ন তুলেছেন, “আমাদের ডেটা নেওয়ায় রাজি হও, নাহলে বের হয়ে যাও” নীতিটির। ওই সময় মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহারকারীদেরকে সিগনাল বা টেলিগ্রামের মতো অ্যাপ ব্যবহারের পরামর্শও দিয়েছেন তারা।

টেসলা প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক ও টুইটার প্রধান জ্যাক ডরসিও সম্প্রতি মেসেজিং অ্যাপ হিসেবে সিগনাল ব্যবহারের কথা বলেছেন।

এর পরপরই বৃহস্পতিবার হুট করে বেড়ে যায় সিগনাল ডাউনলোডের সংখ্যা। পরে ভিডিও কলিং ও ম্যাসেজিং অ্যাপটি বসে যায়।

সিগনাল গ্রাহকরা শুক্রবার বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে অ্যাপটি ব্যবহার করতে না পারার অভিযোগ তোলেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।

এই পরিস্থিতিতে সিগন্যাল জানিয়েছে, তাদের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছিল এবং তা দ্রুততম সময়ে কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চলছে।

ফেসবুকের সঙ্গে ‘ডেটা শেয়ারে বাধ্য’ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রাহকরা এর প্রতিক্রিয়ায় সারাবিশ্বে দলে দলে অ্যাপটি ছাড়তে শুরু করে। বিবিসি জানায়, এক সপ্তাহে হোয়াটসঅ্যাপ ডাউনলোডের সংখ্যা ১ কোটি ১৩ লাখ থেকে ৯২ লাখে নেমে আসে।

এর বিপরীতে সিগনাল, টেলিগ্রাম ও বিপের মতো ভিডিও কলিং ও মেসেজিং অ্যাপ ডাউনলোড হু হু করে বাড়ছে।

বিবিসি জানায়, গত ৪ জানুয়ারি হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ঘোষণা আসার আগের সপ্তাহে যেখানে সিগন্যালের ডাউনলোড সংখ্যা ছিল আড়াই লাখের কম, পরের এক সপ্তাহে তা বেড়ে ৮৮ লাখে গিয়ে উঠেছে।

তবে টেলিগ্রামের গ্রাহকও বাড়ছে দ্রুত গতিতে। এক সপ্তাহে এই অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা সাড়ে ৬ লাখ থেকে কোটি এক কোটি ছাড়িয়ে গেছে।