হয় টাকা দিন, না হয় দোকান বরাদ্দ বাতিল: জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান

শাহজাদা এমরান শাহজাদা এমরান

কুমিল্লা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৮:৩৮ অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৩৯:অপরাহ্ণ, মে ২১, ২০১৯

কুমিল্লা লাকসাম উপজেলার মুদাফফরগঞ্জ জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট কাম বাণিজ্যক ভবনের দোকানের প্রথম কিস্তির টাকা পরিশোধ না করলে দোকান বরাদ্দ বাতিল করা হবে।এদিকে কয়েক দফা নোটিশ নিয়ে ও টাকা না পাওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে নির্মাণ ব্যয়ের বকেয়া টাকা ও পরিশোধ করা যাচ্ছে না। এতে থমকে আছে স্থাপনা নির্মাণের কাজেও।তিন তলার ওই স্থাপনার নির্মাণকাজ শেষ হলে ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন। কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো.হেলাল উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা পরিষদ সূত্র জানা গেছে, ২০১১ সালের ৫ডিসেম্বর জেলা পরিষদ উন্নয়ন সমন্বয় সভায় কুমিল্লা-চাঁদপুর মহাসড়কের কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার মুদাফফরগঞ্জ বাজারে ব্যবসায়িক গুরুত্ব ও বেকার লোকদের কর্মসংস্থানের জন্য বিপণিবিতান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এই বছরের ১১ ডিসেম্বর ৮৮শতক জায়গার ওপর এই বিপণিবিতান করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়।

এরপর ২০১২ সালের ২৫ এপ্রিল জেলা পরিষদের সমন্বয় সভায় ছয়তলা বিপণিবিতান নির্মানের সিন্ধান্ত হয়।প্রথমে তিনতলা পর্যন্ত নির্মাণের সিন্ধান্ত হয়। ২০১৩ সালের ৩০ মে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২৯ কোটি ৩৫ লক্ষ ৭৭ হাজার ৮৭০ টাকা ব্যয় প্রথমে তৃতীয় তলা পযর্ন্ত ভবণ নির্মাণের কাজ শুরু করে।দ্বিতীয় তলার কাজ এ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

২০১৫ সালের ২৭ এপিল্র জেলা পরিষদ উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির আরেক সভায় জেলা পরিষদ সুপার মার্কেট কাম বানিজ্যক ভবনের প্রথম ও দ্বিতীয় তলা দোকানের জন্য প্রথম কিস্তির টাকা নির্ধারণ করা হয়।পরে প্রথম তলায় ১৫২টি, দ্বিতীয় তলায় ১২৫টি তৃতীয় তলা ৯৪ টিসহ মোট ৩৯৮ টি দোকান কোটা করার নকশা করা হয়।ইতিমধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় তলার কাজ শেষ হয়েছে।

প্রতিটি দোকান সর্বোচ্চ ১০০ বর্গফুট ও সর্বনিম্ন ৭০ বর্গফুট। সর্বনিম্ন ৭লক্ষ টাকা থেকে ১২ লক্ষ টাকায় বরাদ্দ দেওয়া হয় প্রতি দোকান।২০ মার্চ ৪৭ জনকে সেলামির কিস্তির বকেয়া টাকা দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো হেলাল উদ্দিন বলেন, যাঁরা টাকা দেননি ,তাঁদের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।টাকা না দিলে বরাদ্দ বাতিল করা হবে।
কুমিল্লা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো.আবু তাহের বলেন,টাকা না দিলে দোকান বরাদ্দ বাতিল করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।