২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতি পরিবারে একজন ক্যান্সার রোগীর আশঙ্কা

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:০১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৯ | আপডেট: ১:১৩:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৯
সংগৃহীত

নিরীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে ক্যান্সার রোগের কারণে মৃত্যুর হার শতকরা ১৩ ভাগ বৃদ্ধি পেতে পারে।

২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি পরিবারে অন্তত একজন সদস্য কোনো না কোনো ধরনের ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার’এর (আইএআরসি) নিরীক্ষার উদ্বৃতি দিয়ে এ আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে ঢাকা মহানগর এলাকায় ক্যান্সার স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ব্রেইন ফাউন্ডেশন স্পেশালাইজড হাসপাতাল কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্পের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদী স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সঙ্গে সাক্ষাতকালে এ তথ্য জানান ।

নিরীক্ষা অনুযায়ী বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে ক্যান্সার রোগের কারণে মৃত্যুর হার শতকরা ১৩ ভাগ বৃদ্ধি পেতে পারে।

প্রতিনিধি দল দেশে ক্রমবর্ধমান ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে তাৎক্ষনিক বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রদানের প্রয়োজনে প্রশিক্ষিত চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরেন । তারা সব স্তরের মানুষের জন্য চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করার ব্যাপারে সভাপতিকে অবহিত এবং আলোচনা ও মত বিনিময় করেন।

এ সময় রাশেদ খান মেনন বলেন, ক্যান্সার ও নিউরো চিকিৎসার মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসা ব্যবস্থা দেশে প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য আশীর্বাদস্বরুপ হবে। এর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখীতা দূর হবে।

আলোচনাকালে জানানো হয়, মূলত ক্যান্সার রোগের অ্যাকাডেমিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও দেশের সাধারণ মানুষের কাছে জটিল ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা খরচ সহজলভ্য করার জন্য মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার (বিসিআরসি)।

সভায় আরও জানানো হয়, বাংলাদেশে নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বেড়ে চলেছে। এমতাবস্থায়, বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান “ব্রেইন ফাউন্ডেশন” দেশের সাধারণ মানুষের কাছে স্নায়ু রোগের সময়সাপেক্ষ চিকিৎসা খরচ সহজলভ্য করার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে একটি আধুনিক বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করার জন্য গঠিত হয়েছে।