২৫ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশিত: ৪:৪২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮ | আপডেট: ৪:৪২:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৮

বগুড়ায় দেবে যাওয়া রেল সেতুর পিলার মেরামতের শেষে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে বগুড়া ও ঢাকার ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। ২৫ ঘণ্টা পর রোববার বিকাল ৩টা থেকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

সোনাতলা উপজেলার ভেলুরপাড়া থেকে সৈয়দ আহমদ কলেজ স্টেশনের মাঝামাঝি মধ্য দীঘলকান্দি এলাকায় চকচকিয়া রেলসেতুর একটি পিলার দেবে যাওয়ায় শনিবার বেলা ১১টা থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে এ সময়ে দুটি আন্ত:নগর ট্রেনসহ অন্তত ১৬টি ট্রেন চলাচল ব্যহত হলে যাত্রীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

রেলের গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা স্টেশনের ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারি প্রকৌশলী (পথ) আফজাল হোসেন জানান, প্রবল স্রোতের কারণে মাটি সরে যাওয়ায় সোনাতলা উপজেলার মধ্য দীঘলকান্দির চকচকিয়া এলাকায় ৩৫ নম্বর রেলসেতুর ২ নম্বর পিলার দেবে যায়। এতে শনিবার বেলা ১১টার দিকে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। সোয়া ১১টার দিকে ঘটনাস্থলের কাছে দিনাজপুর ছেড়ে আসা দোলনচাঁপা এক্সপ্রেস এবং সোয়া ১টায় সোনাতলা স্টেশনে লালমনিরহাট ছেড়ে আসা ঢাকাগামী লালমনি এক্সপ্রেস ও সান্তাহার জংশনে ঢাকা ছেড়ে আসা দোলনচাঁপা এক্সপ্রেসসহ অন্তত ১৬টি ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে।

তিনি জানান, শনিবার বিকালে সান্তাহার থেকে আসা ইঞ্জিনে বগুড়া স্টেশনে থেকে মালামাল নিয়ে মেরামতের কাজ শুরু হয়। রেলের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে রোববার বেলা ২টা ৫০ মিনিটে অস্থায়ীভাবে সেতুর মেরামত কাজ শেষ হয়। এরপরই কিছুটা ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

বগুড়া রেলের প্রকৌশল শাখার ঊর্ধ্বতন উপ-সহকারি প্রকৌশলী (কার্য) আসলাম হোসেন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, পরবর্তীতে স্থায়ীভাবে সেতুটি মেরামত করা হবে।

রেলের পশ্চিমাঞ্চল জোনের প্রধান প্রকৌশলী রমজান আলী, জেনারেল ম্যানেজার আরিফুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) আসাদুজ্জামান প্রমুখ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কাজ পরিদর্শন করেন।

বগুড়ার স্টেশন মাস্টার বেঞ্জুরুল ইসলাম প্রায় ২৫ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে সেতুর পিলার দেবে যাওয়ার কারণে শনিবার বেলা ১১টা থেকে রোববার বিকাল ৩টা পর্যন্ত উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে বগুড়া ও ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল। এতে বিভিন্ন স্টেশন ও ট্রেনে থাকা যাত্রীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।