৬ষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় থাকছে না লিখিত

প্রকাশিত: 5:29 PM, October 20, 2019 | আপডেট: 5:29:PM, October 20, 2019
প্রতীকী ছবি

আসছে ডিসেম্বরে শুরু হবে সরকারি হাইস্কুলে ভর্তি কার্যক্রম। আর এরই মধ্যে ভর্তির সকল নীতিমালার খসড়া তৈরি করা হয়েছে। রাজধানীর অন্য বেসরকারি স্কুলগুলোয়ও নভেম্বরের প্রথমদিকে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে। তবে এবারই প্রথমবারের মতো এসব স্কুলে লিখিত পরীক্ষার পরিবর্তে এমসিকিাু পদ্ধতে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার জন্য চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। আর এ জন্য প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে।

পাশাপাশি শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী কোটা ২ শতাংশের পরিবর্তে ৩ শতাংশ এবং সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৫ শতাংশ সংরক্ষিত রাখার প্রস্তাবও করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এই খসড়া নীতিমালা পাঠানো হয়েছে।

জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) পরিচালক অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান বলেন, ইতিমধ্যে সরকারি স্কুলের নীতিমালার খসড়া অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য নীতিমালার খসড়া তৈরির কাজ চলছে। এমসিকিউ পদ্ধতির চিন্তা করা হচ্ছে। সবার সমর্থন পেলে হয়তো চালু করা যাবে। তবে, এটা নিতান্তই চিন্তা ও প্রস্তাব পর্যায়ে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত নীতিমালায় এবার সব সরকারি হাইস্কুলে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব আছে। এ ধরনের স্কুলে মোট আসনের ৫৯ শতাংশ কোটা ছিল। এগুলো হচ্ছে- ‘এলাকা’, ‘সরকারি প্রাইমারি স্কুল’, ‘মুক্তিযোদ্ধা’, ‘প্রতিবন্ধী’ এবং ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারী’ কোটা। স্কুলে আবেদনের ফি বাড়ানোর কোনো চিন্তাভাবনা নেই বলে জানা গেছে। এর সঙ্গে এবার বাড়বে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সংরক্ষিত ৫ শতাংশ এবং শিক্ষা বিভাগের জন্য আরও ১ শতাংশ।

সরকারি এক হিসাবে দেখা গেছে, প্রতিবছর ঢাকায় গড়ে ২ লাখের বেশি শিশু প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। কিন্তু মাত্র ৪৫-৫০ হাজার শিশু পছন্দের স্কুলে ভর্তি হতে পারছে। অপরদিকে ঢাকা শহরে প্রায় অর্ধলাখ কিন্ডারগার্টেন ও ইংরেজি মাধ্যম স্কুল রয়েছে। আছে তিন শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বেসরকারি হাইস্কুলে ভর্তির নীতিমালা অনুযায়ী, ৬ ও এর বেশি বয়সীরা প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পারছে। এর কম বয়সীদেরও বিভিন্ন স্কুল ভর্তি নিচ্ছে। সাধারণত রাজধানীর বিখ্যাত ও মানসম্মত স্কুলের বেশির ভাগে প্রাক-প্রাথমিক স্তর আছে। ওইসব প্রতিষ্ঠানে কোথাও শিশু শ্রেণি আবার কোথাও প্লে বা নার্সারি স্তর থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়া হচ্ছে। এমন স্কুলগুলোর একটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থিত উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ড. উম্মে সালেমা বেগম বলেন, ‘সাধারণত এক একটি স্কুলের নির্দিষ্ট দর্শন আছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের মতো করে ছোট থেকেই গড়ে তুলতে কেউ কেউ প্রথম শ্রেণির আগে থেকে ভর্তি নেয়। আমরাও শিশুশ্রেণিতে শিক্ষার্থীর এন্ট্রি পয়েন্ট করেছি।’