পুঠিয়ায় লাউ চাষে সফল হয়েছে কৃষক আনছার আলী

প্রকাশিত: ৮:০৮ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৬, ২০১৯ | আপডেট: ২:১৭:অপরাহ্ণ, মে ১৪, ২০১৯

মোঃ মেহেদী হাসান, পুঠিয়া(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর পুঠিয়ায় লাউ চাষে সফল হয়েছে কৃষক আনছার আলী। লাউ চাষি আনছার আলী উপজেলার বানেশ্বর ইউনিয়নের নওদাপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে। তিনি ওই এলাকার একজন প্রতিষ্ঠিত কৃষক হিসেবে সুপরিচিত।

বিভিন্ন ফসলের পাশাপাশি তার ২৫ শতক জমিতে এবার হাইব্রিড জাতের লাউ চাষ করে বেশ সফল হয়েছেন বলে তিনি জানান। এই জমি থেকে তিনি প্রতি সপ্তাহে ১’শ থেকে ১’শ ২০টি লাউ কাটছেন এবং তা বাজারে গড়ে ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি করেন। আমাদের এ অঞ্চলে সাধারণত দুই ধরনের লাউ পাওয়া যায়। লম্বা ও গোল ধরনের। লাউ চাষি আনছার আলীর লাউয়ের জমিতে লম্বা ধরনের লাউ ধরতে দেখাগেছে। লাউ চাষ করতে আনছার আলী তার পুরা জমিতে লাউ ঝুলে থাকার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছে।

এ ব্যবস্থাকে বলে হয় জাংলা পদ্ধতি। এ পদ্ধতি অবলম্বন না করলে লাউয়ের ফলন ভাল হবে না বলে তিনি জানান। বর্তমানে তিনি এ লাউ প্যাকেট করে দেশের বিভিন্ন জেলা শহরেরসহ ঢাকার পাইকারী বাজারে বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করছেন। তার এ লাউ চাষ করে লাভবান হওয়ায় এলাকার বেশ কয়েকজন চাষী লাউ চাষে উদ্বুদ্ধ হয়ে লাউ চাষ শুরু করেছে।

লাউ চাষি আনছার আলীর সাথে কথা বলে জানাযায়, লাউয়ের বীজ আশ্বিন মাসের শুরুতে বপণ করতে হয়ে। এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে লাউ গাছে লাউ ধরতে শুরু করে এবং তা ৬ থেকে ৭ মাস পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। বিঘা প্রতি লাউয়ের জমিতে ভাল ফলন হলে এক থেকে দেড় লাক্ষ টাকার লাউ বিক্রয় করা সম্ভব। তবে এর জন্য লাউ গাছে পরিমান মত সার, সেচ, স্প্রের ব্যবস্থা করতে হবে।

লাউ চাষী আনচার আলী অভিযোগ করে বলেন, লাউ চাষের ব্যপারে উপজেলা কৃষি অফিসের কোন সহযোগিতা পাইনি। তার আমাকে সহযোগিত করলে আরো ভালো করা সম্ভব। এব্যপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মুনজুরে মাওলার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমারা সবসময় চাষিদের যে কোন ফসল উৎপাদনের ব্যপারে সহযোগিতা দিয়ে থাকি। লাউ চাষি আনছার আলী যোগাযোগ করলে তাকে আবশ্যই সহযোগিতা দেওয়া হবে। এছাড়াও তিনি লাউ চাষিদের ব্যপারের খোঁজখবর নিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।