The Bangladesh Today | Uniting people everyday

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২

উইকেটে টিকে থাকতেই আক্রমণাত্মক খেলেছি : শান্ত

উইকেটে টিকে থাকতেই আক্রমণাত্মক খেলেছি : শান্ত
ছবি: সংগৃহীত

মিরপুর টেস্টে আপাতত বাংলাদেশের ফলোঅন এড়ানো মূল লক্ষ্য হলেও পরিস্থিতি বলছে, হারের দিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে বাংলাদেশ ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত মনে করেন, ভালো ব্যাটিং করতে পারলে অবশ্যই ম্যাচ বাঁচানো সম্ভব।

পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে চরম ব্যাটিং বিপর্যয় নিয়ে চতুর্থ দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (০৭ ডিসেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তান প্রথম ইনিংস ৩০০ রানে ঘোষণার পর বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৬ ওভারে দলীয় ৭৬ রানেই ৭ উইকেট হারায়।

ফলে ফলোঅন এড়ানো নিয়েই শঙ্কা জেগেছে স্বাগতিক শিবিরে। আর দিন শেষে ২২৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে ফলোঅন এড়াতে বাংলাদেশের মোট ১০১ রান করতে হবে। কিন্তু পাকিস্তানি স্পিনার সাজিদ খানের বিধ্বংসী স্পেলের পর এখন প্রশ্ন উঠেছে ৩ উইকেটে বাকি ২৫ রান কি তুলতে পারবে বাংলাদেশ?

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে আসেন শান্ত। সেখানে উইকেটে টিকে থাকার জন্যই আক্রমণাত্মকভাবে খেলছিলেন বলে জানান এই টাআগিার ব্যাটার।

তিনি বলেন, ‘আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের একটা কারণ ছিল- উইকেটে যত রক্ষণাত্মক খেলবেন তত কঠিন হয়ে উঠবে। এখানে রান করাও গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য ব্যাটাররা যার যে শটে ভালো দক্ষতা আছে তারা সেই শট খেলতে চেয়েছে।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৫০ বলে ৩০ রান করে নাজমুল হাসান শান্ত। এছাড়াও সাকিব ৩২ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত আছেন। অন্য ব্যাটাররা কেউ দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।

এ উইকেটে রক্ষণাত্মক ক্রিকেট খেললে দ্রুতই আউট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল বলে জানান নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘এখানে রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেললে আউট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে। দুর্ভাগ্যবশত এক্সিকিউশন ওরকম হয়নি। এই উইকেটে রক্ষণাত্মক থাকলেই সমস্যা হত।’

আক্রমণাত্মক খেলার জন্য আলাদা করে কোনো পরিকল্পনা নয় বরং নিজেদের সহজাত স্কিলেই সামর্থ্য রাখতে চেয়েছিলেন বলে জানান শান্ত। তিনি বলেন, ‘সাধারণ পরিকল্পনাই ছিল। যার যার ন্যাচারাল গেম খেলার পরিকল্পনা ছিল। ওরকম আলাদা কোনো পরিকল্পনা ছিল না।’