The Bangladesh Today | Uniting people everyday

ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২

শিশুদের চোখের জন্য বিপদ ডেকে আনছে স্মার্টফোন

শিশুদের চোখের জন্য বিপদ ডেকে আনছে স্মার্টফোন
প্রতিকী ছবি

আজকাল অধিকাংশ শিশুর সময় কাটে স্মার্টফোন নিয়ে অথবা টিভি দেখে। কারণ শিশু যখন কোনো কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকে তখন মায়েরা তার কাজটি ভালোভাবে করতে পারেন। বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে এখন শিশুদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় স্মাটফোন। আমরা প্রায়ই দেখি, অভিভাবকেরা বাচ্চাকে শান্ত রাখার জন্য তার হাতে স্মার্টফোন বা ট্যাব ধরিয়ে দেন। গান, কার্টুন বা মজার ভিডিও চালিয়ে দিয়ে তাকে শান্ত রাখার চেষ্ট করেন।

কিন্তু প্রযুক্তির কারণে যে শিশুদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, সেদিকে খেয়াল রাখছে না অনেকেই। এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রযুক্তি থেকে শিশুদের দূরে রাখার জন্য নানান ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন অভিভাবকরা।

আপনার, আমার প্রায় সবার বাসাতেই আজকাল দেখা যায় স্মার্টফোন হাতে দিয়ে শিশুদের শান্ত রাখা, খাওয়ানো, এমনকি বর্ণমালা শেখানোর কাজটিও করা হচ্ছে। এতে শিশুর যে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে তা আমরা খেয়াল রাখি না। এর ফলে স্মার্টফোনের ওপর শিশুর নির্ভরতা বাড়ছে। আর এই নির্ভরশীলতাই আমাদের অজান্তে শিশুদের জন্য ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনছে।

অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে বেশিরভাগ শিশুই চশমা পরছে। মহামারি পরিস্থিতিতে এ সমস্যা আরও বাড়ছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতিতে শিশুরা চোখের রোগে আক্রান্ত হয়েছে। স্কুল-কলেজগুলোতে অনলাইনে পড়াশুনার কারণে শিশুদের মধ্যে এ সমস্যা প্রকট আকারে দেখা দিচ্ছে।

স্মার্টফোনে গেমস কিংবা ভিডিও দেখার প্রবণতা বাড়ছে। ফলে চোখের সমস্যায়ও ভুগছে শিশুরা। চোখ জ্বালা করা, চোখে পানি পড়া বা পানি শুকিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা থেকে শিশুদের সুরক্ষিত রাখতে স্মার্টফোন ব্যবহারের সময় সীমিত করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত দুই ঘণ্টা শিশুকে খেলাধূলা করতে দিতে হবে। পড়াশুনা কিংবা যে কোনো কাজের পর চোখে পানি দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শ্রেণিকক্ষে শিশুরা ব্ল্যাকবোর্ডের লেখা দেখতে না পেলে শিক্ষককে প্রশ্ন করে থাকে। এর মাধ্যমে চোখের সমস্যা প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা যায়। তাই শিক্ষক এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।