The Bangladesh Today | Uniting people everyday

ঢাকা শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

শিরোনাম
  • সোনালী পেপারের ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা অর্ধেক দামে নতুন পণ্য দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ শ্রীমঙ্গলে রেলের জমি পুনরুদ্ধার অভিযানের এক্সাভেটরে দুর্বৃত্তে আগুন পুঠিয়ায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ ১০ টাকার জন্য রিকশা চালককে কুপিয়ে হত্যা সান্তাহারে ২০ শয্যা হাসপাতাল চালুর দাবীতে মানববন্ধন সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব ‘উদ্দেশ্যমূলক’: জবিসাস নড়াইলে প্রাইভেটকার পানিতে, খাশিয়াল ইউপি চেয়ারম্যানসহ নিহত ২ ‘বাথরুম’ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নৌ অ্যাম্বুলেন্স! কিস্তির টাকা চাওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তার বাসায় হামলা
  • স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে ছুটে আসলেন করোনা আক্রান্ত স্বামী

    স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে ছুটে আসলেন করোনা আক্রান্ত স্বামী

    স্বামী-স্ত্রী দুজনই ছিলেন করোনায় আক্রান্ত। কিন্তু জীবনযুদ্ধে হেরে শনিবার ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা যান স্ত্রী ফিরোজা বেগম। স্ত্রীর মৃত্যুর খবরে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বামী আব্দুর রশিদ।

    করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিনি তখন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। করোনা স্বামী-স্ত্রীকে দূরে ঠেলে দিলেও জীবনসঙ্গীকে শেষবারের মতো দেখতে পারার চেষ্টাকে আটকাতে পারেনি।

    স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখার জন্য হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে ছুটে আসেন স্বামী আব্দুর রশিদ। শনিবার (৩১ জুলাই) বিকেলে এমন একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লার নবাববাড়ি এলাকায়।

    জানা গেছে, হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর মরদেহ দেখার অনুমতি মিললেও এলাকার প্রভাবশালীদের নিষেধাজ্ঞার কারণে করোনা আক্রান্ত স্বামীকে বাড়িতে যেতে নিষেধ করা হয়। বাড়িতে যেতে না পেরে নবাববাড়িতে (বিবেকের মরদেহ গোসলের স্থান) স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে আসেন।

    দূর থেকে কাফনে মোড়ানো স্ত্রীকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বামী। এ সময় সন্তান ও আত্মীয়-স্বজনদের কান্নায় আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে।

    বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তুলে ধরেন বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি জানান, আমাদের ফোনে অনুরোধ করা হয়েছিল ফিরোজা বেগমের মরদেহ গোসলের জন্য।

    আমরা যখন নবাব বাড়িতে উনার মরদেহের গোসল সম্পন্ন করি, এরই মধ্যে জানতে পারি ফিরোজা বেগমের স্বামী আবদুর রশিদ বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর মরদেহ শেষবারের মতো দেখতে চান।

    তখন তার স্বজনদের ফোনে জানতে পারলাম, করোনা আক্রান্ত কাউকে গ্রামে যেতে নিষেধ করছে কে বা কারা। যে কারণে আবদুর রশিদ হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করেই চলে আসেন। এ সময় যে হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয় তা বলার মতো না।


    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন