The Bangladesh Today | Uniting people everyday

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১

শিরোনাম
  • বিএনপি সরকারের আমলে রেলের কোন উন্নয়ন হয়নি: রেলমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যায় মধুখালীর সবজি বাজারে আগুন সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ও সহিংসতার প্রতিবাদে বাগেরহাটে হিউম্যান রাইটস্ ডিফেন্ডার্স ফোরামের মানববন্ধন​​​​​​​ মুরাদনগরে সিএনজি চালক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও ৩ জন গ্রেফতার সাম্প্রদায়িক হামলা ও ধর্মীয় সহিংসতার প্রতিবাদে মাভাবিপ্রবিতে মানববন্ধন পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ নানা আয়োজনে বাউবি’র ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত পদ্মায় হঠাৎ পানিবৃদ্ধিতে রাজবাড়ী শহর প্রতিরক্ষা বাঁধে আবারও ভাঙন রাজবাড়ীতে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু
  • প্লাস্টিক ও ই-বর্জ্য কমাতে ইইউ’র এক রকম চার্জার নীতি

    প্লাস্টিক ও ই-বর্জ্য কমাতে ইইউ’র এক রকম চার্জার নীতি
    ছবি: দ্য ভার্জ

    সব স্মার্টফোন এবং ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইসের জন্য সর্বজনীন চার্জিং প্রযুক্তি চায় ইউরোপিয়ার ইউনিয়ন (ইউ)। সব ডিভাইসের জন্য একই প্রযুক্তিগত মান নিশ্চিত করতে নতুন আইনের প্রস্তাব করেছে ইউরোপিয়ার কমিশন (ইসি)। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ইলেট্রনিক এবং প্লাস্টিক বর্জ্য কমানো।

    দ্য ভার্জ জানিয়েছে, ইলেকট্রনিক বর্জ্য (ই-বর্জ্য) উৎপাদন কমিয়ে আনতে চাইছে ইউ। নতুন ফোন কেনার পরও পুরনো চার্জার ব্যবহারে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা চলছে।   

    ইইউ এর প্রস্তাবনা অনুযায়ী এ অঞ্চলে স্মার্টফোন বাজারজাতকারীদের সি-টাইপ ইউএসবি চার্জার ব্যবহার করতে হবে। যদিও এরইমধ্যে টেকজায়ান্ট অ্যাপল সতর্ক করেছে যে এমন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করলে উদ্ভাবন বাধাগ্রস্ত হবে।

    স্মার্টফোনের বাজারে তারাই সবচেয়ে বেশি আলাদা ধরনের চার্জিং পোর্ট তৈরি করে। আইফোনের সিরিজি প্রতিষ্ঠানটি অ্যাপলের তৈরি পাতলা চার্জিং পোর্ট ব্যবহার করে।তারা বলছে একধরনের চার্জার ব্যবহারের বাধ্য করা হলে উদ্ভাবন এবং গবেষণা বাধাপ্রাপ্ত হবে। ইউরোপ এবং বিশ্বের  অন্যান্য এলাকার ক্রেতারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

    অ্যাপল আরও জানায়, ২০৩০ সালের মধ্যে তারা পরিবেশবান্ধব উপায়ে প্রতিটি পণ্য তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। যদিও বেশিরভাগ স্মার্ট ফোন যেগুলো ইউএসবি মাইক্রো-বি টাইপ চার্জার নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিল তারা সি টাইপে চলে গেছে এরইমধ্যে।

    আইপ্যাড এবং ম্যাকবুকের নতুন মডেলেও সি টাইপ চার্জার ব্যবহার শুরু হয়েছে। কেননা স্যামসাং এবং হুয়াওয়ের মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ড সেপথই বেছে নিয়েছে। ২০১৯ সালের এক গবেষণা বলছে ইউরোপে তার আগের বছর ইউরোপের অর্ধেক মোবাইল ফোনের চার্জার ছিল মাইক্রো-বি টাইপের এবং সিটাইপের ২৯ শতাংশ আর ২১ শতাংশ ছিল লাইটনিং কানেক্টর।

    এক ধরনের চার্জার ব্যবহারের এই নীতি কার্যকরে প্রস্তাবিত ডিভাইসগুলো হলো- স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ক্যামেরা, হেডফোন, পোর্টেবল স্পিকার, ভিডিও গেমিং যন্ত্র।

    সার্ম্টওয়াচ, ফিটনেসের রিস্টবেল্টর মত যন্ত্রকে এখানে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি প্রযুক্তিগত এবং আকারের কারণে।

    গত একদশেকের বেশি সময় ধরে ইউরোপের রাজনীতিবিদরা একটি কমন ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছে। যেখানে উদ্বেগ জানানো হয় যে অবহৃত চার্জিং ক্যাবলস থেকে বছরে ১১ হাজার মেট্রিক টনের বেশি বর্জ তৈরি হচ্ছে এ অঞ্চলে।

    এই এলাকায় গত বছর ৪২ কোটি মোবাইল এবং অন্যান্য পোর্টেবল ডিভাইস বিক্রি হয়। গড়ে একজন ব্যক্তি ৩ টি করে চার্জিং পোর্ট ব্যবহার করে। ২০০৯ সালেও ৩০ টির বেশি ধরনের চার্জিং পোর্ট ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে যা সি লাইটনিং এবং মাইক্রো বি তে এসে ঠেকেছে।

    বেনউড নামের এক বিশ্লেষক বলেন, যদিও অ্যাপল একরকম চার্জিং ক্যাবল ব্যবহারের বিরুদ্ধে শক্ত যুক্তি তর্ক তুলে ধরছে তারপরও তারা অবশেষে ইতিবাচক সিদ্ধান্তই নেবে বলে মনে করি। এ সংক্রান্ত একটি আইনি নির্দেশিকা ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং স্ব স্ব দেশের সংসদে আলোচিত হবে শিগগিরই।

    ইউরোপীয় কমিশন মনে করছে ২০২২ সালের মধ্যেই তাদের এক চার্জার নীতি বাস্তবায়ন হবে।


    সর্বশেষ